নতুন আতর

NX AL IMRAN S
#price=(৳১২০০) #sale=(১০% ছাড়) #free=(no) #icon=(cart) 



প্রারম্ভিকতা

আপনার কাছে শিরোনাম শুনে অদ্ভুত এবং বেশী বেশী মনে হলেও সাইবার সিকিউরিটি রিসার্চ এবং ফরেনসিক এনালাইসিসে এটির গুরুত্ব আছে বৈকি!
আর রিয়েল আইপি হ্যাকিং বিষয়টাকে খুব সাধারণ আইপি লগিং/আইপি গ্রাবিং হতে একটু আলাদা করে এর বৈশিষ্ট্য এবং বিশেষত্ব নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করবো; অন্যদিকে ডিভাইস ট্রেসিং হতে আমরা বাস্তবিকপক্ষে যেকোন ডিভাইসের ফুটপ্রিন্ট ডাটা এনালাইসিসে প্রয়াসী হতে পারি।

আইপি ক্লাসিফিকেশান

সবার আগে আপনার মনে যে প্রশ্নটি আসবে – সেট হলো “রিয়েল আইপি” বলতে আসলে কি বোঝানো হচ্ছে?
বস্তুত আইপি (Internet Protocol) এড্রেসের প্রাথমিক ক্লাসিফিকেশন হলো ভার্সন বেইজড IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6); এখানেও আবার Public IP ও Private IP এভাবেও ক্ল্যাস্টার করা যায়। অন্যদিকে Static IP এবং Dynamic IP এই দুটি ভাগেও আইপি এড্রেস বিন্যাস করা যায় – যেখানে Static IP সবসময় একই থাকে (অপরিবর্তিত) এবং Dynamic IP সময়ের সাথে সাথে বদলে যায়।
এই Static IP বিষয়টিকেই আমরা সচরাচর বলে থাকি রিয়েল আইপি এড্রেস/ডেডিকেটেড আইপি এড্রেস ইত্যাদি – অন্যদিকে Dynamic IP যা সময়ের সাথে DHCP কনফিগারেশনে অটোম্যাটিক রাউটিং সিস্টেম তৈরী করে সেটাকেই শেয়ার আইপি/সেকেন্ডারী আইপি ইত্যাদি বলে থাকি।
বলাই বাহুল্য এই Static IP এর ক্ষেত্রে ISP তথা ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তুলনামূলক বেশী চার্জ রাখেন Dynamic IP এড্রেস প্রোভাইড করার ক্ষেত্রে।
সুতরাং সবার জন্য আর্থিক সংকুলানে Static IP কেনা কার্যত সহজ সম্ভবপর হয়না – অন্যদিকে একটি Mother IP এর Base রেখে সেখানে অসংখ্য Dynamic IP তৈরী করা যায় যা সহজলভ্য।

Post a Comment

0Comments

Post a Comment (0)